ঝিনাইদহ জেলার অবহেলিত জনপদের উন্নয়নে সংরক্ষিত নারী আসনের সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে আলোচনায় উঠে এসেছেন জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মৌ চৌধুরী।
তাকে সংসদ সদস্য হিসেবে দেখতে চান তৃণমূলের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ। তার প্রার্থিতা ঘিরে এলাকায় নতুন উদ্দীপনা ও আশার সঞ্চার হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে সুশৃঙ্খল, ত্যাগী ও আদর্শনিষ্ঠ রাজনীতির মাধ্যমে অ্যাডভোকেট মৌ চৌধুরী নিজেকে একজন গ্রহণযোগ্য ও আস্থাভাজন নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।
বিএনপির এই নেত্রী রাজনৈতিক জীবনে নানা প্রতিকূলতা ও প্রতিহিংসামূলক মামলার মুখোমুখি হলেও সেসব বাধাকে শক্তিতে পরিণত করে রাজপথে সক্রিয় নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন। দলের দুঃসময়ে নেতাকর্মীদের পাশে থেকে তিনি সাহসী ও সংগ্রামী নেতৃত্বের পরিচয় দিয়েছেন।
তৃণমূল নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মতে, অ্যাডভোকেট মৌ চৌধুরী শুধু একজন রাজনীতিক নন, তিনি উন্নয়ন, ন্যায়বিচার ও গণমানুষের অধিকারের প্রতীক। তার সুমিষ্টভাষী, মার্জিত ও ভদ্র ব্যক্তিত্ব মানুষের মাঝে আলাদা গ্রহণযোগ্যতা তৈরি করেছে। সহজ-সরল ভাষায় মানুষের কথা তুলে ধরার দক্ষতা এবং আন্তরিক আচরণ তাকে দ্রুত জনপ্রিয় করে তুলেছে।
স্থানীয় ভোটারদের ধারণা, দিন দিন তার প্রতি মানুষের আগ্রহ ও সমর্থন বাড়ছে, যা নির্বাচনী মাঠে তাকে শক্ত অবস্থানে পৌঁছে দিতে পারে।
অ্যাডভোকেট মৌ চৌধুরী বলেন, “বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শকে ধারণ করেই আমি রাজনীতি করি।
সবসময় মানুষের পাশে থেকে কাজ করার চেষ্টা করেছি। ন্যায়-নীতি ও আদর্শের পথেই রাজনীতি করেছি এবং নানা দমন-পীড়ন ও মিথ্যা মামলার শিকার হলেও মানুষের স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথ থেকে কখনো সরে যাইনি।”