🔴 “চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো থেকে অবকাঠামোগত উন্নয়ন—জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডে ইউনিয়নবাসীর আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছেন”
সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়নে মানবিকতা, সততা ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম।”
সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে দাঁড়ানো, দুর্যোগকালীন সহায়তা প্রদান এবং ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়নে নিরলস কাজ করার কারণে তিনি স্থানীয়দের কাছে একজন জনবান্ধব ও দায়িত্বশীল জনপ্রতিনিধি হিসেবে ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই জাহাঙ্গীর আলম ইউনিয়নের অবহেলিত, দরিদ্র ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন।
খাদ্য সহায়তা, শীতার্ত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ, অসুস্থ ব্যক্তিদের চিকিৎসা সহযোগিতা, বিধবা ও প্রতিবন্ধীদের পাশে দাঁড়ানোসহ বিভিন্ন মানবিক কর্মকাণ্ডে তাকে সবসময় সক্রিয় দেখা যায়।
বিশেষ করে বন্যা, ঘূর্ণিঝড় কিংবা অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় নিজ উদ্যোগে ত্রাণ বিতরণ ও জরুরি সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে তিনি মানুষের আস্থা ও ভালোবাসা অর্জন করেছেন।
স্থানীয়দের মতে, সংকটের মুহূর্তে একজন অভিভাবকের মতো সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোই তাকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে।
ইউনিয়নবাসীর ভাষ্য, কোনো নাগরিক সমস্যা নিয়ে কেউ চেয়ারম্যানের কাছে গেলে তিনি গুরুত্বসহকারে বিষয়টি শুনে দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করেন। সাধারণ মানুষের সঙ্গে তার সরাসরি যোগাযোগ এবং সেবামূলক মনোভাব একজন দায়িত্বশীল জনপ্রতিনিধির পরিচয় বহন করে।
মানবিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি ইউনিয়নের অবকাঠামোগত উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন জাহাঙ্গীর আলম। গ্রামীণ সড়ক উন্নয়ন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সংস্কার,
মসজিদ-মাদ্রাসার উন্নয়ন, পরিবেশ পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদারসহ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে তিনি একটি আধুনিক ও বাসযোগ্য ইউনিয়ন গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন।
চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “জনগণের ভালোবাসা ও বিশ্বাসই আমার সবচেয়ে বড় শক্তি। আমি সবসময় মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করি। বিষ্ণুপুর ইউনিয়নকে একটি আদর্শ ও উন্নত ইউনিয়নে পরিণত করাই আমার মূল লক্ষ্য।”
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, মানবিকতা, সততা ও দায়বদ্ধ নেতৃত্বের যে উদাহরণ জাহাঙ্গীর আলম সৃষ্টি করেছেন, তা শুধু বিষ্ণুপুর ইউনিয়নেই নয়, অন্যান্য জনপ্রতিনিধিদের জন্যও অনুসরণীয় হতে পারে।
জনসেবাকে প্রাধান্য দিয়ে মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নেওয়া এই চেয়ারম্যান বর্তমানে ইউনিয়নের উন্নয়ন ও মানবিক কর্মকাণ্ডের অন্যতম আলোচিত নাম।