ঝিনাইদহে জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনকে ঘিরে জোরালো জনমত গড়ে উঠেছে জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মৌ চৌধুরীকে মনোনয়ন দেওয়ার দাবিতে।
স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণের একাংশ বলছেন, দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের পরীক্ষিত এই নেত্রীই হতে পারেন সংরক্ষিত নারী আসনে জেলার যোগ্য প্রতিনিধি।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঝিনাইদহের চারটি আসনের মধ্যে মাত্র একটিতে জয় এবং তিনটিতে পরাজয়ের পর দলীয়ভাবে সাংগঠনিক শক্তি পুনর্গঠনের প্রয়োজনীয়তা সামনে এসেছে।
এ প্রেক্ষাপটে তৃণমূল নেতাকর্মীরা মনে করছেন, রাজপথের পরীক্ষিত ও জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ত নেতৃত্বকে মূল্যায়ন করাই সময়ের দাবি।
তাদের ভাষ্য, ছাত্রদল থেকে রাজনীতির সূচনা করে ধারাবাহিক আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় থাকা মৌ চৌধুরী দীর্ঘদিন ধরে জেলার রাজনীতিতে বলিষ্ঠ ভূমিকা রেখে আসছেন।
স্থানীয় নেতাকর্মীদের দাবি, দুঃসময়ে যারা নীরব থেকেছেন বা ‘ব্যালেন্স পলিটিক্স’-এ ছিলেন, তাদের পরিবর্তে এমন একজনকে সংরক্ষিত নারী আসনে দেখতে চান তারা, যিনি প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও রাজপথ ছাড়েননি।
একাধিকবার হামলা-মামলার শিকার হলেও মাঠের রাজনীতি থেকে সরে না দাঁড়ানোয় মৌ চৌধুরী তৃণমূলের কাছে আস্থার প্রতীক হয়ে উঠেছেন বলে জানান তারা।
জেলা বিএনপির কয়েকজন সিনিয়র নেতা বলেন, ছাত্ররাজনীতি থেকে শুরু করে বর্তমান দায়িত্ব পর্যন্ত মৌ চৌধুরীর রাজনৈতিক পথচলা দীর্ঘদিনের। কেন্দ্রীয় রাজনীতির সঙ্গেও তার সম্পৃক্ততা রয়েছে।
জেলার বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে তাকে সক্রিয়ভাবে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে অংশ নিতে দেখা গেছে। তাদের মতে, তিনি সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি হলে ঝিনাইদহ জেলা বিএনপি আরও সুসংগঠিত ও শক্তিশালী হবে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে অ্যাডভোকেট মৌ চৌধুরী বলেন, তিনি সবসময় জনগণের কাতারে থেকে কাজ করার চেষ্টা করেন। দুঃসময়ে রাজপথ না ছেড়ে নির্যাতন-হামলা-মামলার শিকার হয়েও আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ছিলেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।
দল ও আদর্শের প্রতি অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, দল তাকে যোগ্য মনে করলে জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারে প্রস্তুত আছেন।
তিনি আরও জানান, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ ধারণ করেই তার রাজনৈতিক পথচলা।
ঝিনাইদহবাসীর দোয়া ও সমর্থন কামনা করে তিনি বলেন, জনকল্যাণমূলক কাজে নিজেকে আজীবন নিয়োজিত রাখতে চাই।